লাইটহাউস ব্লগ।। কিয়ামতের প্রথম আলামত

شعبان ১৪৩৯ | ১০ বৈশাখ ১৪২৫ | মঙ্গলবার ২৪ এপ্রিল ২০১৮ রাত ০৩:১০(ঢাকা সময়)

 

সম্পাদকের পছন্দ

আবিসিনিয়ার হিজরত থেকে শিক্ষণীয় বিষয় (সদ্য প্রকাশিত প্রিয়নবীর প্রিয়জীবন বই থেকে)
- মাই নেম ইজ খান


বর্ণময় সফর বর্ণিল সফর
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


এক ধর্মের উৎসব অন্য ধর্মের জন্য নয়
- মুহা: ওবাইদুল্লাহ


সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো 'প্রযুক্তির আলোয় সত্যের পথ' -আলহামদুলিল্লাহ।
- মাই নেম ইজ খান


আমরা কি এই বীর নারী যোদ্ধাকে চিনি?
- জুন্দুল্লাহ্ 'আব্দুল্লাহ্


বদলে যাবার গল্প
- ফাহমিদা মুন্নী


আত্মার খোরাক
- রেহনুমা বিনত আনিস


হিজাবঃ বিকৃতি, বিচ্যুতি এবং সম্ভাবনা
- সাফওয়ানা জেরিন


ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশের ফেসবুকের লেখা
- কাউয়া


আইস্ক্রিম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


মা যে আমার
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভূমিকম্পের সময় প্রাথমিক করনীয় বিষয়।
- মাজহারুল ইসলাম


দাজ্জালের মহা ফিতনা ও বর্তমান বিশ্বঃ পর্ব-৪
- কায়সার আহমেদ


শামের মুজাহিদদের জীবন সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ডাঃ আইমান আল জাওয়াহিরির (হা: ) পক্ষ হতে একটি বার্তা
- জাতির চাচা


মোরা জোনাকি হতে চাই...৩
- আফরোজা হাসান



আরবি পোস্ট

أجمل ادعية يوم الجمعة
- ফরিদুদ্দীন


7 Important Duas for Ramadan
- আবদুললাহ মুজাহিদ


দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?
- অক্টোপাশ


ترك المعاصى............
- কাহাফ


إنه الموت أبلغ المواعظ
- তরুণ প্রজন্ম


القرضاوي: إعلان الخلافة في العراق «باطل شرعاً»
- আল্লাহর গোলাম


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أيها العالم الحر المتمدن! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- নাবিলা আক্তার


دماء وجرحى وقتلى في ساحة شابلا!! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- মুফাচ্ছির হুসাইন


الجهاد فى سبيل الله
- মাই নেম ইজ খান


عناية النبي (صلي) في إعادة الأمن والسلام
- মাই নেম ইজ খান


اهمية عيد الاضحى والاضحية.
- মাই নেম ইজ খান


تاثير النبى حول تهذيب الاخلاق
- মাই নেম ইজ খান


سماع الغناء مع آلة موسيقية محرم باتفاق المذاهب الأربعة واستدامته مسقط للشهادة ومخل بالمروءة التي تجب المحافظة عليها ويحرم الإقدام على ما يخل بها، وسماع الغناء بغير آلة مكروه عند أصحاب المذاهب الأربعة.
- মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী



ইংরেজি পোস্ট

The Last Sermon by Muhammad (PBUH)
- আল মারুফ


PHP Group chairman Sufi Mizanur Rahman & 34 of his allies are accused in court of Chittagong issued an arrest warrant for Attempt to Murder & Land Piracy activities.
- লেন্দুপ দর্জি


Impact of Ibadah on Person and Society
- মোসতাফিজুর রহমান


I'm a Muslim....
- ফরিদুদ্দীন


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


রামাদান - ৩ টি ইমপোরটানট পয়েনট
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Beautiful story.
- ফাহমিদা মুন্নী


সিমপল কথা কঠিন কাজ
- আবদুললাহ মুজাহিদ


5th May Hefazat-e-Islam Lessons Learned
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Come to Islamic Unity
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Fake Freedom of Speech
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Show Your Love for Priyo Nabiji SWM, Act Now...
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Broken House Laughing Outsider
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Zakat for Jihad Fi Sabilillah
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Khelafat Movement : The Begining of Muslim and Hindu Rajnoitik Andolon
- আবদুললাহ মুজাহিদ



অনলাইনে রয়েছেন

০ জন ব্লগার ও ১৮ জন ভিজিটর

Visitor Statistics
আজকের ভিজিটর » ১৫১ জন
গতকালের ভিজিটর » ২৪৭ জন
সর্বোমোট ভিজিটর » ৪০৮৫১৬ জন
Flag Counter

সর্বাধিক শেষ ৭ দিন

কিয়ামতের প্রথম আলামত

লিখেছেন মাই নেম ইজ খান ২০১৮-০৩-০৭ ১২:৪০:৩৭

কেয়ামতের এ দশটি নিদর্শনের মধ্যে প্রথম কোনটি? আদ-দাজ্জাল।
এক হাদীসে আছে, কেয়ামতের প্রথম আলামত হচ্ছে পশ্চিম দিক থেকে সূর্য ওঠা। তাহলে কোনটা প্রথমে? দাজ্জাল নাকি পশ্চিম দিকে সূর্য?
দাজ্জাল প্রথমে। যদিও হাদীসে বলা হয়েছে পশ্চিম দিকে সূর্য ওঠা হলো সর্বপ্রথম লক্ষণ। তবুও আলেমগণ বলে থাকেন দাজ্জাল হচ্ছে সবচেয়ে প্রথম চিহ্ন। তো তারা এটা কীভাবে বলতে পারেন যেখানে এ বিষয় সম্পর্কিত আরেকটি হাদীস উপস্থিত?

তারা বলেন, কেয়ামতের কিছু নিদর্শন বা চিহ্ন রয়েছে যেখানে এ মহাবিশ্বের পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। এই নির্দেশকগুলোর মাঝে প্রথমটি হচ্ছে সূর্য পশ্চিম দিক থেকে ওঠা। কারণ এ পরিবর্তনটা মহাবিশ্ব সংক্রান্ত পরিবর্তন বা মহাবিশ্বের একটা পরিবর্তন। অন্যান্য নিদর্শনগুলো, যেমন, দাজ্জাল, ধোঁয়া বা পশু এগুলো হচ্ছে পৃথিবীতে ঘটবে এমন ঘটনা। পৃথিবীর ঘটনাগুলো পৃথিবী-সংক্রান্ত আলামতগুলো মহাবিশ্বে পরিবর্তন আসার আগেই সংঘটিত হবে।
মহাবিশ্বের প্রথম পরিবর্তনটি আসবে সূর্য পশ্চিমে ওঠার মধ্য দিয়ে। আর এরপর পুরো বিশ্বজগৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। সবকিছু চলতে থাকবে এলোমেলোভাবে। চাঁদ খসে পড়বে, নক্ষত্র ঝরে যাবে।

মহাবিশ্বের মাঝে সর্বপ্রথম আলামত হবে পশ্চিম দিকে সূর্য ওঠা। কিন্তু কেয়ামতের দিনের প্রথম আলামত বা নিদর্শন হচ্ছে দাজ্জালের আবির্ভাব। এখন আমরা শুধু দাজ্জাল কথাটার অর্থ বলবো। এরপর এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে আমরা পরবর্তী পর্বে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।
তার পুরো নাম হচ্ছে আল-মাসিহ আদ দাজ্জাল। নামটা দু’টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। মাসিহ এবং দাজ্জাল। এ দু’টি শব্দের অর্থ কি?
একজন আলেম, যিনি ‘কামুসুল মুহিথ’ শীর্ষক বইয়ের লেখক, তিনি বলেন, মাসিহ শব্দটি ৫০টি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। এ শব্দখানা খুবই সমৃদ্ধ। এর প্রচুর অর্থ আছে। এ শব্দের কিছু অর্থ হলো, এমন কিছু যা মুছে ফেলা হয়েছে। দাজ্জালকে মাসিহ বলার কারণ হলো তার এক চোখ মুছে ফেলা হয়েছে বা এক চোখ থাকবে না। আল-মাসিহ এর অর্থ এমনটাও হতে পারে, যে পুরো দুনিয়ায় ‘মাসাহাল’ করেছে বা পুরো পৃথিবী ভ্রমণ করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি হাদীসে বলেছেন যে, আদ-দাজ্জাল সমগ্র বিশ্ব ভ্রমণ করবে চল্লিশ দিনের মধ্যে।

আল-মাসিহ এর অর্থ হচ্ছে ‘আল কাযযাব এবং আস সিদ্দিক’। খুবই আশ্চর্যজনকভাবে এই মাসিহ কথাটার দু’টি বিপরীত অর্থ রয়েছে। আরবী ভাষায় একই শব্দ অনেক সময় দু’টি সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীতধর্মী বস্তু বুঝিয়ে থাকে। সিদ্দিক মানে সত্যবাদী আর কাযযাব মানে মিথ্যুক। অনেকটা আদম শব্দের মতোই। আদম শব্দের দুটো অর্থ। একটি মূল (অরিজিনাল) অর্থ, আরেকটি অর্থ পরে এসেছে। মূলতঃ আদম শব্দটির অর্থ হলো অন্ধকার, আঁধার, খুব অন্ধকার/ কালো বা গাঢ় কোনকিছু।
আবার আদম বলতে এমনটাও বুঝানো যায়, যা খুব ফরসা/সাদা/ হালকা রঙের কিছুকে। অর্থাৎ আদম বলতে কালো ত্বক বুঝানো যায়, আবার ফর্সা ত্বকও বুঝানো যায়। আর একটি হাদীসে এভাবেই আদম কথাটা (এরকম দু’ভাবে) ব্যবহার করা হয়েছিল। আদম আ. এর বর্ণনার সময় এর দ্বারা বুঝানো হয় কালো ত্বক আর ঈসা আ এর ক্ষেত্রে বুঝানো হয় ফর্সা ত্বক।

তেমনিভাবে মাসিহ শব্দটার অর্থ একই সাথে সত্যবাদী এবং মিথ্যাবাদী। আল্লাহ তা’আলা দুইজন মাসিহ সৃষ্টি করেছেন। একজন আল মাসিহ আদ দাজ্জাল, আরেকজন আল মাসিহ ঈসা ইবনে মারয়াম। ঈসা ইবনে মারয়াম হলেন সত্যবাদী মাসিহ আর দাজ্জাল হচ্ছে মিথ্যাবাদী/ মিথ্যুক মাসিহ।
মাসিহ শব্দটার আরেকটি অর্থ উন্নত করা বা মর্যাদা উচ্চ করা, যা ঈসা ইবনে মারয়াম আ. এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই হল মাসিহ কথাটার কিছু অর্থ।

আদ-দাজ্জাল শব্দের অর্থ কি?
আরবিতে কিছু শব্দ আছে যা দিয়ে মূলতঃ বাস্তব (ফিজিক্যাল) কোন কিছুকে বুঝানো হয়। কিন্তু পরে সেগুলো নতুন নতুন সংজ্ঞা নেয়, নতুন কোন অর্থ বুঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
দাজ্জালুল বাইর অর্থ হচ্ছে উটকে কাতরান দিয়ে রঙ করা। কাতরান হলো কালো রং। আরবের লোকেরা তাদের উটগুলোকে মাঝে মাঝে কোন বিশেষ কারণে কালো রং করে ফেলতো। যেমন কোন রোগবালাই থেকে মুক্তির জন্য কিংবা আরোগ্য লাভের আশার কালো রং করতো।
কিন্তু এই কাতরান উটের গায়ের রং বদলে দিত। সুতরাং এটা কোনকিছুকে লুকোয়, গোপন করে, আচ্ছাদন করে বা রং বদলে দেয়। এ অর্থটা দাজ্জালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কারণ সে সত্য বলে না। সে সত্যকে লুকিয়ে রাখে/ গোপন করে/ ঢেকে রাখে। সে সত্যকে বদলে দেয়।
দাজ্জালুশ শাইত, মানে হলো কোন কিছুকে সোনালী রং এর প্রলেপ দেওয়া/ ঢেকে দেয়া। কোন কিছুকে সোনার পানি দিয়ে ধৌত করলে সেটাকে বলা হয় “দাজ্জাল”। যেমন অনেক ধাতু আছে ইলেক্ট্রোপ্লেটেড এগুলো সস্তা জিনিস। পরে এগুলো “গোল্ডপ্লেটেড” করাকে বলা হয় দাজ্জাল। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে এটা স্বর্ণ, সোনার তৈরি, কিন্তু ভিতরে আসলে কিছুই না। এটাকেও বলা হয় আদ-দাজ্জাল।
কেননা তাকে দেখাচ্ছে একরকম, আর বাস্তবে সে অসৎ, খারাপ এবং ক্ষতিকারক। সে দাবি করবে সে ‘আল্লাহ’ (গড), সে দাবি করবে সে সৎ ভালো। সে দাবি করবে সে দুনিয়াতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করছে কিন্তু সত্যিকার অর্থে সে অসাধু, অসৎ।

সে কাফির, নাস্তিক। এটাও দাজ্জালের আরেকটা অর্থ। দাজ্জাল শব্দ দিয়ে আরো বুঝানো হয় ধোঁকা, প্রতারণা, মিথ্যা বলা, ভ-ামি ইত্যাদি। আদ-দাজ্জাল শব্দটা এসব অর্থ বহন করে। আর এর প্রতিটা কথাই দাজ্জালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপনি দেখুন, কীভাবে একটি মাত্র শব্দ দিয়ে এতোগুলো কথা বুঝানো হচ্ছে। একের ভিতরে অনেক! আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ নামগুলো প্রকাশ করেছেন।
দাজ্জালের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য বা চেহারা কেমন হবে তাঁর কিছু বর্ণনা দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
عن عبادة بن الصامت رضي الله عنه : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " إِنِّي قَدْ حَدَّثْتُكُمْ عَنْ الدَّجَّالِ حَتَّى خَشِيتُ أَنْ لا تَعْقِلُوا ، إِنَّ مَسِيحَ الدَّجَّالِ رَجُلٌ قَصِيرٌ أَفْحَجُ جَعْدٌ أَعْوَرُ مَطْمُوسُ الْعَيْنِ .
অর্থ: “হযরত উবাদা ইবনে সামিত রাযি. থেকে বর্ণিত, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি তোমাদেরকে দাজ্জাল নিয়ে অনেক কথা বলেছি আর আমার ভয় হয়, আমি যেসব কথা বলেছি তার প্রতিটি কথা তোমরা মনে রাখতে পারবে না। নিশ্চয়ই মাসিহ দাজ্জাল খাটো করে একজন লোক, সে চোখে দেখতে পাবে না। দাজ্জাল হলো কানা, এক চোখ বিশিষ্ট।” (আবূ দাউদ, হাদীস নং ৩৭৬৩)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশ ঘন ঘন দাজ্জালকে নিয়ে কথা বলতেন এবং প্রচুর বিষয় উল্লেখ করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَا مِنْ نَبِيٍّ إِلَّا وَقَدْ حَذَّرَ أُمَّتَهُ الدَّجَّالَ ، حَتَّى نُوحٍ ، وَسَأُخْبِرُكُمْ عَنْهُ بِشَيْءٍ مَا أَخْبَرَ بِهِ نَبِيٌّ كَانَ قَبْلِي : إِنَّهُ كَانَ أَعْوَرَ , إِنَّ اللَّهَ لَيْسَ كَذَلِكَ ، مَكْتُوبٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ كَافِرٌ ، يَقْرَأُهُ كُلُّ مُؤْمِنٍ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, প্রত্যেক নবী তাঁর জাতিকে, তাঁর অনুসারীদেরকে দাজ্জালের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। এমনকি নূহ আ.ও তাঁর অনুসারীদেরকে দাজ্জালের ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন। আর আমি দাজ্জালের ব্যাপারে তোমাদেরকে শীঘ্রই এমন কিছু লক্ষণের কথা বলবো, যা আমার পূর্বে কোনো নবীও বলে যান নি। নিশ্চয়ই সে হবে কানা, এক চোখ বিশিষ্ট। আর আল্লাহ কখনই এমনটি নন। দাজ্জালের দুই চোখের মাঝখানে “কাফির” লেখা থাকবে যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবে।”
তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন,
مَاْ مِنْ فِتْنَةِ مُنْذُ أَنْ خُلِقَ أَدَمَ اِلَىْ قِيَاْمِ السَّاْعَةِ أَشَدُّ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّاْلِ
অর্থ: “সৃষ্টির শুরু অর্থাৎ হযরত আদম আ. এর সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত কোন ফিতনা বা পরীক্ষা দাজ্জালের ফিতনার চেয়ে কঠিন আর ভয়ংকর নয়।”

বিভাগ :

৪৯ বার পঠিত | ১ টি মন্তব্য | জনের পছন্দ

পাঠকের মন্তব্য:


 ১.

শনিবার ১০ মার্চ ২০১৮ পূর্বাহ্ন ১২:১৩

শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী লিখেছেন :

স্বাগতম




মন্তব্য লিখতে লগইন করুন

লেখকের অন্যান্য পোস্ট সমূহ

এপ্রিল ২০১৮ (৭)
মার্চ ২০১৮ (১৮)
নভেম্বর ২০১৭ (৫)
জুন ২০১৭ (১)
মে ২০১৭ (১)
এপ্রিল ২০১৭ (২)
অক্টোবর ২০১৬ (২)
সেপ্টেম্বর ২০১৬ (৫)
অগাস্ট ২০১৬ (৭)
জুলাই ২০১৬ (৮)
জুন ২০১৬ (৮)
মে ২০১৬ (৯)
এপ্রিল ২০১৬ (৮)
মার্চ ২০১৬ (৪)
ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (৯)
জানুয়ারী ২০১৬ (৬)
ডিসেম্বর ২০১৫ (৭)
নভেম্বর ২০১৫ (১১)
অক্টোবর ২০১৫ (৩)
সেপ্টেম্বর ২০১৫ (১১)
অগাস্ট ২০১৫ (১২)
জুলাই ২০১৫ (১১)
জুন ২০১৫ (২০)
মে ২০১৫ (৯)
এপ্রিল ২০১৫ (১২)
মার্চ ২০১৫ (৬)
ফেব্রুয়ারী ২০১৫ (৭)
জানুয়ারী ২০১৫ (৭)
ডিসেম্বর ২০১৪ (৬)
নভেম্বর ২০১৪ (৭)
সেপ্টেম্বর ২০১৪ (৬)
অগাস্ট ২০১৪ (১৭)
জুলাই ২০১৪ (১১)
জুন ২০১৪ (১২)
মে ২০১৪ (৭)
এপ্রিল ২০১৪ (২১)
মার্চ ২০১৪ (১৩)
ফেব্রুয়ারী ২০১৪ (১৪)
জানুয়ারী ২০১৪ (২৬)
ডিসেম্বর ২০১৩ (১৫)

অনুসন্ধান

বিষয়বস্তু ব্লগার আর্কাইভ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


অনেক ধন্যবাদ ভালো লাগলো
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


স্বাগতম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


মাইনাস
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


অনেক ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


স্বাগতম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


সাম্প্রতিক প্রতি মন্তব্য

দাজ্জাল, মহাপ্রলয় ও বিচার দিবস
- মাই নেম ইজ খান


আপুর বিয়ে (গল্প নয় সত্যি ঘটনা)
- মিজানুর রহমান


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


***সতর্কীকরণ***
- হাসান বিন নজরুল


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


হতাশার মাঝেও সুসংবাদ
- বিন কাউসার


প্রচলিত কুপ্রথার কবলে ইসলামের একটি বিধান পর্ব: ১
- মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী


হাকীম আল-মীযানের অভিজ্ঞতা
- হাকীম-আল-মীযান


হানাফী মাযহাব সম্পর্কিত গ্রন্থ পঞ্জি
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


রূহানী গজল/হাকীম আল মীযান
- হাকীম-আল-মীযান