লাইটহাউস ব্লগ।। ইসলামে উপহার ও সালামী

جمادى الثانية ১৪৩৯ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ | রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ দুপুর ০২:৫২(ঢাকা সময়)

 

সম্পাদকের পছন্দ

আবিসিনিয়ার হিজরত থেকে শিক্ষণীয় বিষয় (সদ্য প্রকাশিত প্রিয়নবীর প্রিয়জীবন বই থেকে)
- মাই নেম ইজ খান


বর্ণময় সফর বর্ণিল সফর
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


এক ধর্মের উৎসব অন্য ধর্মের জন্য নয়
- মুহা: ওবাইদুল্লাহ


সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো 'প্রযুক্তির আলোয় সত্যের পথ' -আলহামদুলিল্লাহ।
- মাই নেম ইজ খান


আমরা কি এই বীর নারী যোদ্ধাকে চিনি?
- জুন্দুল্লাহ্ 'আব্দুল্লাহ্


বদলে যাবার গল্প
- ফাহমিদা মুন্নী


আত্মার খোরাক
- রেহনুমা বিনত আনিস


হিজাবঃ বিকৃতি, বিচ্যুতি এবং সম্ভাবনা
- সাফওয়ানা জেরিন


ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশের ফেসবুকের লেখা
- কাউয়া


আইস্ক্রিম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


মা যে আমার
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভূমিকম্পের সময় প্রাথমিক করনীয় বিষয়।
- মাজহারুল ইসলাম


দাজ্জালের মহা ফিতনা ও বর্তমান বিশ্বঃ পর্ব-৪
- কায়সার আহমেদ


শামের মুজাহিদদের জীবন সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ডাঃ আইমান আল জাওয়াহিরির (হা: ) পক্ষ হতে একটি বার্তা
- জাতির চাচা


মোরা জোনাকি হতে চাই...৩
- আফরোজা হাসান



আরবি পোস্ট

أجمل ادعية يوم الجمعة
- ফরিদুদ্দীন


7 Important Duas for Ramadan
- আবদুললাহ মুজাহিদ


দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?
- অক্টোপাশ


ترك المعاصى............
- কাহাফ


إنه الموت أبلغ المواعظ
- তরুণ প্রজন্ম


القرضاوي: إعلان الخلافة في العراق «باطل شرعاً»
- আল্লাহর গোলাম


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أيها العالم الحر المتمدن! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- নাবিলা আক্তার


دماء وجرحى وقتلى في ساحة شابلا!! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- মুফাচ্ছির হুসাইন


الجهاد فى سبيل الله
- মাই নেম ইজ খান


عناية النبي (صلي) في إعادة الأمن والسلام
- মাই নেম ইজ খান


اهمية عيد الاضحى والاضحية.
- মাই নেম ইজ খান


تاثير النبى حول تهذيب الاخلاق
- মাই নেম ইজ খান


سماع الغناء مع آلة موسيقية محرم باتفاق المذاهب الأربعة واستدامته مسقط للشهادة ومخل بالمروءة التي تجب المحافظة عليها ويحرم الإقدام على ما يخل بها، وسماع الغناء بغير آلة مكروه عند أصحاب المذاهب الأربعة.
- মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী



ইংরেজি পোস্ট

The Last Sermon by Muhammad (PBUH)
- আল মারুফ


PHP Group chairman Sufi Mizanur Rahman & 34 of his allies are accused in court of Chittagong issued an arrest warrant for Attempt to Murder & Land Piracy activities.
- লেন্দুপ দর্জি


Impact of Ibadah on Person and Society
- মোসতাফিজুর রহমান


I'm a Muslim....
- ফরিদুদ্দীন


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


রামাদান - ৩ টি ইমপোরটানট পয়েনট
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Beautiful story.
- ফাহমিদা মুন্নী


সিমপল কথা কঠিন কাজ
- আবদুললাহ মুজাহিদ


5th May Hefazat-e-Islam Lessons Learned
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Come to Islamic Unity
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Fake Freedom of Speech
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Show Your Love for Priyo Nabiji SWM, Act Now...
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Broken House Laughing Outsider
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Zakat for Jihad Fi Sabilillah
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Khelafat Movement : The Begining of Muslim and Hindu Rajnoitik Andolon
- আবদুললাহ মুজাহিদ



অনলাইনে রয়েছেন

০ জন ব্লগার ও ২১ জন ভিজিটর

Visitor Statistics
আজকের ভিজিটর » ১২৬ জন
গতকালের ভিজিটর » ৪৩২ জন
সর্বোমোট ভিজিটর » ৩৯২১৪৫ জন
Flag Counter

সর্বাধিক শেষ ৭ দিন

ইসলামে উপহার ও সালামী

লিখেছেন শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী ২০১৮-০২-১২ ১৭:০৬:০২

Image Not Found

ইসলামে উপহার ও সালামী
শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
(দৈনিক প্রথম আলো, ২৬.০১.২০১৮ শুক্রবার, পৃষ্ঠা: ১০, কলাম ১-৫)
উপহার বা হাদিয়া প্রদান ও গ্রহণ উভয়ই সুন্নাত। কোনো প্রকার শর্ত ছাড়া এবং স্বার্থ বিবেচনা না করে, কারো প্রতি অনুরাগী হয়ে যে দান বা উপঢৌকন প্রদান করা হয় তাই হাদিয়া। এই হাদিয়া বা উপহার অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের সদাকাহ বা অনুদান। হাদিয়া বা উপহার দাতা ও গ্রহিতা উভয়কে সম্মানিত করে। এটি কোনো দয়া বা দাক্ষিণ্য নয়। সাধারণত ছোট’র পক্ষ থেকে বড়কে দিলে তা হাদিয়া বা উপহার; আর বড়’র পক্ষ থেকে ছোটকে দিলে তা ‘আতিয়া’ বা উপঢৌকন তথা ভেঁট বা প্রীতিউপহার। আতিয়া বা উপঢৌকনের একটি অংশ হলো সালামী।
উপহার ও সালামী:
সাধারণত ঈদে চান্দে ও বিশেষ অনুষ্ঠানে ছোটরা বড়দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে; সালাম বা কদমবুছি করে এবং বড়রা ছোটদের টাকা বা অন্য কোনো বস্তু সামগ্রী উপহার দেয়; একে সালামী বলা হয়। আকীকা অনুষ্ঠানে, সুন্নাতে খাতনা বা মুসলমানী অনুষ্ঠানে যে শিশুর আকীকা বা খাতনা সে আগত অতিথিদের সালাম করে, এতে অতিথিগণ তাকে টাকা বা কোনো বস্তু উপহার দেয় একেও সালামী বলা হয়। বিয়ে অনুষ্ঠানে বা বৌভাত অনুষ্ঠানে বর বা কনে অভ্যাগত মেহমানদের সালাম করে থাকে এতে অতিথিগণ টাকা বা অন্য কোনো সামগ্রী উপহার দিয়ে থাকেন, এটিও সালামী নামে পরিচিত। হাদীস শরীফে আছে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ‘তোমরা হাদিয়া বা উপহার দাও, তোমাদের মধ্যে প্রীতির বন্ধন দৃঢ় হবে।’ (তিরমিযী)।
উপহার কোনো ঋণ বা পাওনা নয়:
হাদিয়া বা উপহার একটি সুন্নাত বিষয়। এর জন্য কোনো উপলক্ষের প্রয়োজন যেমন নেই; তেনি নেই কোনো অনুষ্ঠান বা উপলক্ষে এর বাধ্যবাধকতাও। হাদিয়া বা উপহারের পরিমাণ বা মূল্যমাণ বড় বিষয় নয়। কারণ প্রকৃত উপহার লৌকিকতা নির্ভর নয়; বরং হাদিয়া বা উপহার হলো আন্তরিকতার বিষয়। আন্তরিকতা ছাড়া লৌকিক উপহার নিষ্প্রাণ দেহ সম। লৌকিকতা ছাড়া আন্তরিক উপস্থিতি, শুভেচ্ছা বিনিময় ও শুভ কামনা শ্রেয়তর। তাই হাদিয়া বা উপহার সামগ্রীর কারণে আমাদের বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে স্বানন্দ উপস্থিতি যেনো বিঘিœত না হয়। আল্লাহ তাআলা আলকুরআনুল কারীমে বলেন: “উত্তম বাক্য ও ক্ষমা প্রার্থনা ঐ দান অপেক্ষা শ্রেয়তর, যে দানের পর কষ্ট অনুগামী হয়। আল্লাহ মহাধনবান ও চিরপ্রশংসিত।” (সূরা: ২ বাকারা, আয়াত: ২৬৩)।
উপহার কোনো বিনোয়াগ বা ঋণদান নয়। যিনি কাউকে কোনো উপলক্ষে উপহার বা হাদিয়া দিলেন, তিনি কখনো এমন আশা পোষণ করা সমিচীন হবে না যে ঐ ব্যক্তি আমার বা আমাদের কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে অনুরূপ হাদিয়া বা উপহার দিবেন। উপহার বা হাদিয়া কোনো পাওনা বিষয় নয় যে কেউ না দিলে মন খারাপ করতে হবে।
হাদিয়া বা উপহার প্রদানের জন্য বিশেষ কোনো পর্ব বা উপলক্ষ জরুরী নয়। যখন খুশি তখন যাকে ইচ্ছা তাকে যে কোনো পরিমাণ হাদিয়া বা উপহার প্রদান করা যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন: “যারা তাদের সম্পদ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করে, অতঃপর খোঁটা বা তুলনা দিয়ে এবং কষ্ট দিয়ে তার অনুগমন করে না। তাদের জন্য তাদের রবের নিকট রয়েছে তাদের বিনিময়, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।” (সূরা: ২ বাকারা, আয়াত: ২৬২)। হাদীস শরীফে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: ‘খোটাদানকারী বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (মুসলিম)।
উপহার ও দাওয়াত:
আমাদের দেশে দাওয়াতের বিভিন্ন ধরণ বিদ্যমান রয়েছে। যথা: পান চিনি’র দাওয়াত, তেলাই’র দাওয়াত, ষোলো আনা’র দাওয়াত। বিয়ে উপলক্ষে দাওয়াত দিতে গেলে পান সুপারি ও দুধ চিনি নিয়ে যাওয়ার প্রচলন রয়েছে, একেই বলে পান চিনি’র দাওয়াত। একাধিক দিনের জন্য যে দাওয়াত দেওয়া হয় তাকে বলা হয় তেলাই’র দাওয়াত। কারণ বিবাহ অনুষ্ঠানের আগের দিন বর বা কনেকে বিশেষভাবে গায়ে হলুদ ও মেহেদী, সোঁথা মেথি ও সুগন্ধি দিয়ে গোসল করানো হয় এবং বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত বাসরের জন্য করা হয়। এক তেলাই বা গায়ে হলুদ বলা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হলে অতিথিকে অবশ্যই একদিন আগেই আসতে হবে। এমতাবস্থায় অতিথিগণ নিজেরা নিজেদের প্রয়োজন মতো এবং সার্থ অনুযায়ী বিবাহ অনুষ্ঠানের প্রয়োজনী সামগ্রী নিয়ে আসেন। যেমন: গরু ছাগল, হাঁস মুরগী, চাল ডাল, লবন হলুদ মরিচ ও মসল্লাপাতি। অনুষ্ঠানের এসব ভেঁট বা একেও তেলাই বলা হয়। এসবই হাদিয়া বা উপহারেরই অংশ, তবে একে বাধ্যতামূলক বা জরুরী মনে করা যাবে না। উপহার উপঢৌকন ও হাদিয়া ছাড়া মেহমান আসলে তাকে অবজ্ঞা বা অবহেলা এবং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা যাবে না। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: ‘যারা আল্লাহকে বিশ^াস করে এবং কিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ^াস রাখে, তারা যেনো তাদের অতিথিদের সম্মান করে।’ (তিরমিযী শরীফ)। আর অতিথির হক বা অধিকার হলো তিন দিবস তিন রজনী। ষোলো আনা’র দাওয়াত হলো পরিবারের সকলের দাওয়াত। সাধারণত কোনো অনুষ্ঠানে ষোলো আনা’র দাওয়াত না হলে পরিবারের প্রদান বা যে কোনো একজন দাওয়াতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। আজকাল এই ষোলোপ আনা’র দাওয়াতকে স্বপরিবারে দাওয়াত বলা হয়। এধরণের অনুষ্ঠানে শরীয়তের সীমা লংঘিত না হলে বা সাংস্কৃতিক সীমা অতিক্রম না করলে কোনো দোষ নেই।
উপহার ও অনুষ্ঠানিকতা:
হাদিয়া বা উপহার যেমন কোনো অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত বা শর্তযুক্ত নয়, তেমনি কোনো অনুষ্ঠানে বা উপলক্ষে হাদিয়া বা উপহার নিষিদ্ধও নয়। কিন্তু হাদিয়া বা উপহারকে অনুষ্ঠানের সাথে সম্পর্কযুক্ত করা যেমন অন্যায়, তেমনি একে বিনা কারণে নিবারণ চেষ্টাও প্রয়োজন নাই। অনুষ্ঠান হলেই উপহার দিতে হবে, অনুষ্ঠান না হলে উপহারও দেওয়া যাবে না বিষয়টি মোটেও এমন নয়।
হাদিয়া বা উপহার হতে পারে স্মৃতি স্মারক, হতে পারে প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য বস্তু, হতে পারে জীবন চলার সহায়ক। হাদিয়া বা উপহার কি হবে, তা দাতার ইচ্ছা, রুচি ও সামর্থের উপরেই নির্ভর করে। কিন্তু যাকে হাদিয়া বা উপহার দেওয়া হবে তার প্রয়োজনীয়তা, চাহিদা ও রুচি বিবেচনা করাও বাঞ্ছনীয়। কারণ উপহার সামগ্রীর মালিকা ও ব্যবহারকারী তিনিই হবেন, যাকে বা যাকে কেন্দ্র করে উপহার দেওয়া হয়েছে।
শিশুদের উপহার ও উপহারের মলিকানা:
উপহার ও সালামী প্রাপকের প্রধান অংশ হলো শিশু। জন্মের পর থেকে শিশু পিতা মাতা, আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী ও নানান জনের কাছ থেকে উপহার পেয়ে থাকে। শিশুর উপহার সামগ্রীর মালিকানাও শিশুরই। তাই শিশুর মালিকানার কোনো বস্তু, তা খেলনা হোক বা পোষাক হোক, টাকা পয়সা হোক বা ধন সম্পদ হোক; কোনো অবস্থাতেই শিশুর অনুমতি বা সম্মতি ছাড়া কাউকে দেওয়া যাবে না। যেসব জিনিস শিশুর ব্যবহারের অনুপযোগী তা কাউকে দিতে হলে, তার বিক্রয়মূল্য ধার্য করে তা শিশুর জন্য সঞ্চয় হিসেবে রাখতে হবে। অথবা শিশু সাবালক হওয়ার পর সব বিষয় তাকে অবগত করিয়ে তার পক্ষ থেকে দানের অনুমোদন নিতে হবে। শিশুদের সালামীর টাকা তাদের জন্য ভবিষ্যৎ সঞ্চয় হিসেবে রাখাই বিধেয়। তবে পরিবার অস্বচ্ছল হলে ঐ অর্থ শুধু ঐ শিশুর জন্যই ব্যয় করতে পারবে। পুনরায় স্বচ্ছলতা ও সামর্থ এলে তাকে তা ফেরত দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা অনাথ শিশুদের সম্পদের কাছেও যেয়ো না, বরং সৎউদ্দেশ্য ছাড়া; যতো দিনে তারা যৌবনে সামর্থে দৃঢ়তায় পৌঁছায়।” (সূরা: ৬ আনআম, আয়াত: ১৫২ ও সূরা: ১৭ ইসরা, আয়াত: ৩৪)।

অধ্যক্ষ মুফতী মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
যুগ্ম-মহাসচিব: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি
সহকারী অধ্যাপক: আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সূফীজম
ফোন: ০১৮১৮ ৬৬ ২৩ ৯৩, ০১৭২৫ ৬৫ ৩৫ ৭৫
Image may contain: text

বিভাগ :

১২ বার পঠিত | ০ টি মন্তব্য | জনের পছন্দ

পাঠকের মন্তব্য:


মন্তব্য লিখতে লগইন করুন

লেখকের অন্যান্য পোস্ট সমূহ

ফেব্রুয়ারী ২০১৮ (৪৬)
জানুয়ারী ২০১৮ (৭৫)
ডিসেম্বর ২০১৭ (৭৪)
নভেম্বর ২০১৭ (২৬)
অক্টোবর ২০১৭ (৩৬)
সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৪৬)
অগাস্ট ২০১৭ (৬)
জুলাই ২০১৭ (৩২)
জুন ২০১৭ (৯১)
মে ২০১৭ (৬৯)
এপ্রিল ২০১৭ (৭২)
মার্চ ২০১৭ (৬০)
ফেব্রুয়ারী ২০১৭ (৫২)
জানুয়ারী ২০১৭ (৫৩)
ডিসেম্বর ২০১৬ (৬২)
নভেম্বর ২০১৬ (৪৪)
অক্টোবর ২০১৬ (৪৫)
সেপ্টেম্বর ২০১৬ (৪১)
অগাস্ট ২০১৬ (৪২)
জুলাই ২০১৬ (৩৪)
জুন ২০১৬ (৭৪)
মে ২০১৬ (১৯)
এপ্রিল ২০১৬ (১৭)
মার্চ ২০১৬ (১৬)
ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (২২)
জানুয়ারী ২০১৬ (২৩)
ডিসেম্বর ২০১৫ (১৯)
নভেম্বর ২০১৫ (১৫)
অক্টোবর ২০১৫ (১৭)
সেপ্টেম্বর ২০১৫ (১৩)
অগাস্ট ২০১৫ (১৯)
জুলাই ২০১৫ (২২)
জুন ২০১৫ (৩৩)
মে ২০১৫ (১৮)
এপ্রিল ২০১৫ (১০)
মার্চ ২০১৫ (৯)
ফেব্রুয়ারী ২০১৫ (৭)
জানুয়ারী ২০১৫ (৬)
ডিসেম্বর ২০১৪ (৮)
নভেম্বর ২০১৪ (৫)
অক্টোবর ২০১৪ (৭)
সেপ্টেম্বর ২০১৪ (৬)
অগাস্ট ২০১৪ (৯)
জুলাই ২০১৪ (৩০)
জুন ২০১৪ (৪)
এপ্রিল ২০১৪ (১)
মার্চ ২০১৪ (৪)

অনুসন্ধান

বিষয়বস্তু ব্লগার আর্কাইভ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


অনেক ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


স্বাগতম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভালো লাগলো
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভালো লাগলো
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


শষস
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভালো লাগলো ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


স্বাগতম
- হাকীম-আল-মীযান


সাম্প্রতিক প্রতি মন্তব্য

Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


***সতর্কীকরণ***
- হাসান বিন নজরুল


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


হতাশার মাঝেও সুসংবাদ
- বিন কাউসার


প্রচলিত কুপ্রথার কবলে ইসলামের একটি বিধান পর্ব: ১
- মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী


হাকীম আল-মীযানের অভিজ্ঞতা
- হাকীম-আল-মীযান


হানাফী মাযহাব সম্পর্কিত গ্রন্থ পঞ্জি
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


রূহানী গজল/হাকীম আল মীযান
- হাকীম-আল-মীযান


হাকীম আল মীযানের রূহানী গজল ২১/১০/১৭ইং
- হাকীম-আল-মীযান


ইসলামে অলঙ্কারের বিধান
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী