লাইটহাউস ব্লগ।। বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবেবরাত

المحرّم ১৪৩৯ | ৯ আশ্বিন ১৪২৪ | রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ রাত ১১:২১(ঢাকা সময়)

 

সম্পাদকের পছন্দ

আবিসিনিয়ার হিজরত থেকে শিক্ষণীয় বিষয় (সদ্য প্রকাশিত প্রিয়নবীর প্রিয়জীবন বই থেকে)
- মাই নেম ইজ খান


বর্ণময় সফর বর্ণিল সফর
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


এক ধর্মের উৎসব অন্য ধর্মের জন্য নয়
- মুহা: ওবাইদুল্লাহ


সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো 'প্রযুক্তির আলোয় সত্যের পথ' -আলহামদুলিল্লাহ।
- মাই নেম ইজ খান


আমরা কি এই বীর নারী যোদ্ধাকে চিনি?
- জুন্দুল্লাহ্ 'আব্দুল্লাহ্


বদলে যাবার গল্প
- ফাহমিদা মুন্নী


আত্মার খোরাক
- রেহনুমা বিনত আনিস


হিজাবঃ বিকৃতি, বিচ্যুতি এবং সম্ভাবনা
- সাফওয়ানা জেরিন


ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশের ফেসবুকের লেখা
- কাউয়া


আইস্ক্রিম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


মা যে আমার
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভূমিকম্পের সময় প্রাথমিক করনীয় বিষয়।
- মাজহারুল ইসলাম


দাজ্জালের মহা ফিতনা ও বর্তমান বিশ্বঃ পর্ব-৪
- কায়সার আহমেদ


শামের মুজাহিদদের জীবন সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ডাঃ আইমান আল জাওয়াহিরির (হা: ) পক্ষ হতে একটি বার্তা
- জাতির চাচা


মোরা জোনাকি হতে চাই...৩
- আফরোজা হাসান



আরবি পোস্ট

أجمل ادعية يوم الجمعة
- ফরিদুদ্দীন


7 Important Duas for Ramadan
- আবদুললাহ মুজাহিদ


দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?
- অক্টোপাশ


ترك المعاصى............
- কাহাফ


إنه الموت أبلغ المواعظ
- তরুণ প্রজন্ম


القرضاوي: إعلان الخلافة في العراق «باطل شرعاً»
- আল্লাহর গোলাম


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أهلا وسهلا
- মাই নেম ইজ খান


أيها العالم الحر المتمدن! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- নাবিলা আক্তার


دماء وجرحى وقتلى في ساحة شابلا!! بقلم: يحيى يوسف الندوي
- মুফাচ্ছির হুসাইন


الجهاد فى سبيل الله
- মাই নেম ইজ খান


عناية النبي (صلي) في إعادة الأمن والسلام
- মাই নেম ইজ খান


اهمية عيد الاضحى والاضحية.
- মাই নেম ইজ খান


تاثير النبى حول تهذيب الاخلاق
- মাই নেম ইজ খান


سماع الغناء مع آلة موسيقية محرم باتفاق المذاهب الأربعة واستدامته مسقط للشهادة ومخل بالمروءة التي تجب المحافظة عليها ويحرم الإقدام على ما يخل بها، وسماع الغناء بغير آلة مكروه عند أصحاب المذاهب الأربعة.
- মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী



ইংরেজি পোস্ট

The Last Sermon by Muhammad (PBUH)
- আল মারুফ


PHP Group chairman Sufi Mizanur Rahman & 34 of his allies are accused in court of Chittagong issued an arrest warrant for Attempt to Murder & Land Piracy activities.
- লেন্দুপ দর্জি


Impact of Ibadah on Person and Society
- মোসতাফিজুর রহমান


I'm a Muslim....
- ফরিদুদ্দীন


Beads of pain
- হাসান বিন নজরুল


রামাদান - ৩ টি ইমপোরটানট পয়েনট
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Beautiful story.
- ফাহমিদা মুন্নী


সিমপল কথা কঠিন কাজ
- আবদুললাহ মুজাহিদ


5th May Hefazat-e-Islam Lessons Learned
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Come to Islamic Unity
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Fake Freedom of Speech
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Show Your Love for Priyo Nabiji SWM, Act Now...
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Broken House Laughing Outsider
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Zakat for Jihad Fi Sabilillah
- আবদুললাহ মুজাহিদ


Khelafat Movement : The Begining of Muslim and Hindu Rajnoitik Andolon
- আবদুললাহ মুজাহিদ



অনলাইনে রয়েছেন

০ জন ব্লগার ও ১৩ জন ভিজিটর

Visitor Statistics
আজকের ভিজিটর » ১৫৭ জন
গতকালের ভিজিটর » ২৬৭ জন
সর্বোমোট ভিজিটর » ৩৪৮৯১৬ জন
Flag Counter

সর্বাধিক শেষ ৭ দিন

বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবেবরাত

লিখেছেন সম্পাদক ২০১৪-০৬-১৩ ১৮:৫৩:৩৯

Image Not Found

বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবেবরাত
মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (দা.বা.)

এতদিন পর্যন্ত শবে বরাতকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর মানুষ বাড়াবাড়িতে লিপ্ত ছিল। তারা এ রাতটি উপলক্ষে নানা অনুচিত কাজকর্ম এবং রসম-রেওয়াজের অনুগামী হচ্ছিল। উলামায়ে কেরাম সবসময়ই সবের প্রতিবাদ করেছেন এবং এখনো করছেন। ইদানিং আবার এক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ছাড়াছাড়ির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাদের দাবী হল ইসলামে শবে বরাতের কোন ধারণা নেই। এ ব্যাপারে যত রেওয়ায়েত আছে সব মওযু বা যয়ীফ। এসব অনুযায়ী আমল করা এবং শবে বরাতকে বিশেষ কোন ফযীলতপূর্ণ রাত মনে করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েয নয়। তারা এসব বক্তব্য সম্বলিত ছোটখাট পুস্তিকা ও লিফলেট তৈরী করে মানুষের মধ্যে বিলি করে।
বাস্তব কথা হল, আগেকার সেই বাড়াবাড়ির পথটিও যেমন সঠিক ছিল না, এখনকার এই ছাড়াছাড়ির মতটিও শুদ্ধ নয়। ইসলাম ভারসাম্যতার দ্বীনএবং এর সকল শিক্ষাই প্রান্তকতা মুক্ত সরল পথের পথ নির্দেশ করে। শবে বরাতের ব্যপারে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হল, এ রাতের ফযীলত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সম্মিলিত কোর রূপ না দিয়ে এবং এই রাত উদযাপনের বিশেষ কোন পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি ইবাদত করাও নির্ভরযোগ্য রেওয়াত দ্বারা প্রমাণিত। এই রাতকে অন্য সব সাধারণ রাতের মতো মনে করা এবং এই রাতের ফযীলতের ব্যাপারে যত হাদীস এসেছে, তার সবগুলোকে মওযু বা যয়ীফ মনে করা ভুল যেমন অনুরূপ এ রাতকে শবে কদরের মত বা তার চেয়েও বেশি ফযীলতপূর্ণ মনে করাও ভিত্তিহীন ধারণা।
এখানে শবে বরাতের (পনের শাবানের রাত) ফযীলত ও করণীয় বিষয়ক কিছু হাদীস যথাযথ উদ্ধৃতি ও সনদের নির্ভরযোগ্যতার বিবরণ সহ উল্লেখ করা হল।
১ম হাদীসঃ
عن مالك من يخامر , عن معاذ بن جبل, عن النبى (, قال : يطلع الله الى خلقه فى ليلة النصف من شعبان, فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن ]رواه ابن حبان وغيره, ورجاله ثقات, وإسناده متصل غلى مذهب مسلم الذى هو مذهب الحمهورفى المعنعن, ولم يحزم الذهبى بأن مكحولالم يلق مالك بن يخامر كما زعم, وإنما قاله على سبيل الحسان, راجع ,سبر أعلام النبلاء [
মুআয ইবনে জাবাল (() বলেন, নবী করীম (() ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন।
এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, এ রাতে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাতের দ্বারা ব্যপকভাবে উন্মুক্ত হয়। কিন্তু শিরকি কাজ-কর্মে লিপ্ত ব্যক্তি এবং অন্যের ব্যাপারে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী মানুষ এই ব্যপক রহমত ও সাধারণ ক্ষমা থেকেও বঞ্চিত থাকে। যখন কোন বিশেষ সময়ের ব্যাপারে আল্লাহ তাঞ্চআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাত ঘোষণা হয়, তখন তার অর্থ এই হয় যে, এই সময় এমন সব নেক আমলের ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে যার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাতের উপযুক্ত হওয়া যায় এবং ঐ সব গুণাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। এ কারণে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাত থেকে বঞ্চিত হয়।
যেহেতু উপরোক্ত হাদীস এবং অন্যান্য হাদীসে অর্ধ-শাবানের রাতে ব্যাপক মাগফেরাতের গোষণা এসেছে, তাই এ রাতটি অনেক পূর্ব থেকেই শবে বরাত তথা মুক্তির রজনী নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। কেননা, এ রাতে গুনাহসমূহ থেকে মুক্তি লাভ হয় এবং পাপের অশুভ পরিণাম থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
যদি শবে বরাতের ফযীলতের ব্যাপারে দ্বিতীয় কোন হাদীস না থাকত, তবে এই হাদীসটিই এ রাতের ফযীলত সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এবং এ রাতে মাগফেরাতের উপযোগী নেক আমলের গুরুত্ব প্রমাণিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট হত। অথচ হাদীসের কিতাবসমূহে নির্ভরযোগ্য সনদে এ বিষয়ক আরো একাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
হাদীসটির সনদ বিষয়ক আলোচনা
উপরোক্ত হাদীসটি অনেক নির্ভরযোগ্য হাদীসের কিতাবেই নির্ভরযোগ্য সনদের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান তার জ্ঞকিতাবুস সহীহঞ্চ এ (যা সহীহ ইবনে হিব্বান নামেই সমধিক প্রসিদ্ধ, ১৩/৪৮১ এ) এই হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। এটি এই কিতাবের ৫৬৬৫ নং হাদীস। এ ছাড়া ইমাম বাইহাকী (রহঃ) জ্ঞশুআবুল ঈমানঞ্চ এ (৩/৩৮২, হাদীস ৩৮৩৩); ইমাম তাবরানী জ্ঞআলজ্ঞমুজামুল কাবীরঞ্চ ও জ্ঞআলজ্ঞমুজামুল আওসাতঞ্চ এ বর্ণনা করেছেন। এ ছাড়াও আরো বহু হাদীসের ইমাম তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
হাদীসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে জ্ঞকিতাবুস সহীহঞ্চ এ বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ হাদীসটিকে পারিভাষিক দৃষ্টিকোণ থেকে হাসান বলেছেন; কিন্তু হাসান হাদীন সহীহ তথা নির্ভরযোগ্য হাদীসেরই একটি প্রকার।
ইমাম মনযিরী, ইবনে রজব, নূরুদ্দীন হাইসামী, কাস্তাল্লানী, যুরকানী এবং অন্যান্য হাদীস বিশারদ এই হাদীসটিকে আমলযোগ্য বলেছেন। দেখুন আততারগীব ওয়াততারহীব ২/১৮৮; ৩/৪৫৯. লাতায়েফুল মাআরিফ ১৫১; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৮/৬৫; শারহুল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যা ১০/৫৬১।
বর্তমান সময়ের প্রসিদ্ধ শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) সিলসিলাতুল আহাদসিস্ সাহীহা ৩/১৩৫-১৩৯ এ এই হাদীসের সমর্থনে আরো আটটি হাদীস উল্লেখ করার পর লেখেনঃ
وجملة القول أن الحديث بمجموع هذه الطرق صحيح بلاريب. والصحة تثبت بأقل منها عددا، مادامت سالمة من الضعف الشديد، كماهو الشأن فى هذاالحديث .
এ সব রেওয়াতের মাধ্যমে সমষ্টিগত ভাবে এই হাদীসটি নিঃসন্দেহে সহীহ প্রমাণিত হয়।ঞ্চ তারপর আলবানী (রহঃ) ওই সব লোকের বক্তব্য খন্ডন করেন যারা কোন ধরণের খোঁজখবর ছাড়াই বলে দেন যে, শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদীস নেই।

ইদানিং আমাদের কতক সালাফী বা গাইরে মুকাল্লিদ; বন্ধুকে দেখা যায়, তারা নানা ধরণের লিফলেট বিলি করেন। তাতে লেখা থাকে যে, শবে বরাত (লাইলাতুল নিস্ফি মিন শাবান) এর কোন ফযীলতই হাদীস শরীফে প্রমাণিত নেই। ওই সব বন্ধুরা শায়খ আলবানী (রহঃ) এর গবেষণা ও সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। কেননা, তাদেরকে আলবানী (রহঃ) এর বড় ভক্ত মনে হয় এবং তার কিতাবাদি অনুবাদ করে প্রচার করতে দেখা যায়। আমি ওই সব ভাইদের কাছে বিনীতভাবে আরজ করতে চাই যে, আপনারা যদি শায়খ ইবনে বাযের অনুসরণে বা নিজেদের তাহ্কীক মতো এই রাতের ফযীলতকে অস্বীকার করতে পারেন তাহলে যারা উপরোক্ত মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের অনুসরণে উল্লেখিত হাদীসটির ভিত্তিতে এই রাতের ফযীলতের বিশ্বাস পোষণ করেন এবং সব ধরণের বেদআত রসম-রেওয়াজ পরিহার করে নেক আমলে মগ্ন থাকার চেষ্টা করেন তারাই এমন কি অপরাধ করে বসলেন যে, আপনাদেরকে তাদের পেছনে লেগে থাকতে হবে? এবং এখানকার উলামায়ে কেরামের দলীলভিত্তিক সিদ্ধান্তের বিপরীতে অন্য একটি মত যা ভুলের সম্ভাবনার উর্ধ্বে নয়, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার করে তাদেরকে আলেম-উলামার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আস্থাহীন করা এবং বাতিলপন্থিদের মিশন সফল করতে সহায়তা দেওয়া কি সত্যিকার অর্থেই খুব বেশি প্রয়োজন? এতে তো কোন সন্দেহ নেই যে, আপনারা আপনাদের মতটিকে খুব বেশি হলে একটি ইজতেহাদী ভুল-ভ্রান্তির সম্ভাবনাযুক্তই মনে করেন এবং নিশ্চয়ই আপনারা আপনাদের মতটিকে একেবারে ওহীর মতো মনে করেন না। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন, এরপর আপনাদের এই অবস্থানের যৌক্তিক কোন ব্যাখ্যা আর থাকে কি না?

আপনাদের প্রতি আমার সর্বশেষ অনুরোধ এই যে, দয়া করে এ রাতের ফযীলত ও আমল সম্পর্কে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) [মৃ. ৭২৮ হিঃ] এর ইক্তিযাউস সিরাতিল মুস্তাকিম/৬৩১-৬৪১ এবং ইমাম যায়নুদ্দীন ইবনে রজব (রহঃ) [মৃ. ৭৯৫] এর লাতায়েফুল মাআরেফ ১৫১-১৫৭ পড়ুন এবং ভেবে দেখুন যে, তাদের এই দলীলনির্ভর তাহকীক অনুসরণযোগ্য, না শায়খ ইবনে বায (রহঃ) এর একটি আবেগপ্রসূত মতামত? যা হয়ত তিনি শবে বরাত নিয়ে জাহেল লোকদের বাড়াবাড়ির প্রতিকার হিসেবেই ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এ কথা স্পষ্ট যে, বাড়াবাড়ির প্রতিকার কোন বাস্তব সত্য অস্বীকার করে নয়; বরং সত্য বিষয়টির যথাযথ উপস্থাপনের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। এই রাতের আমল উল্লেখিত হাদীস শরীফে এ রাতের কী কী আমলের নির্দেশনা-ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তা আমি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। নিম্নে এ বিষয়ে আরেকটি হাদীস পেশ করছি।

হযরত আলা ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত, হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (ক্ষ) রাতে নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সেজদা করেন যে, আমার ধারণা হল তিনি হয়ত মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন উঠে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, জ্ঞহে আয়েশাঞ্চ অথবা বলেছেন, জ্ঞও হুমাইরা, তোমার কি এই আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন?ঞ্চ আমি উত্তরে বললাম, জ্ঞনা, ইয়া রাসূলুল্লাহ। আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার এই আশংকা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা।ঞ্চ নবীজী জিঞ্চেস করলেন, জ্ঞতুমি কি জান এটা কোন রাত?ঞ্চ আমি বললাম, জ্ঞআল্লাহ ও তার রাসূলই ভাল জানেন।ঞ্চ রাসূলুল্লাহ (ক্ষ) তখন ইরশাদ করলেন,
هذه ليلة النصف من شعبان ان الله عزو جل يطلع على
عباده فى ليلة النصف من شعبان فيغفر للمستغفرين
ويرحم المشترحمين ويؤخر اهل الحقد كماهم
‘এটা হল অর্ধ শাবানের রাত (শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত)। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তার বান্দার প্রতি মনযোগ দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই।‘ [শুআবুল ঈমান, বাইহাকী ৩/৩৮২-৩৬৮]
ইমাম বাইহাকী (রহঃ) এই হাদীসটি বর্ণনার পর এর সনদের ব্যাপারে বলেছেন,
هذا مرسل جيد
এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়, এ রাতে দীর্ঘ নফল পড়া, যাতে সেজদাও দীর্ঘ হবে, শরীয়তের দৃষ্টিতে কাম্য। তবে মনে রাখতে হবে যে, অনেক অনির্ভরযোগ্য ওয়ীফার বই-পুস্তকে নামাযের যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে অর্থাৎ এত রাকআত হতে হবে, প্রতি রাকআতে এই সূরা এতবার পড়তে হবে – এগুলো ঠিক নয়। হাদীস শরীফে এসব নেই। এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা। সঠিক পদ্ধতি হল, নফল নামাযের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দুই রাকআত করে যত রাকআত সম্ভব হয় পড়তে থাকা। কুরআন কারীম তেলওয়াত করা। দরূদ শরীফ পড়া। ইস্তেগফার করা। দুআ করা এবং কিছুটা ঘুমের প্রয়োজন হলে ঘুমানো। এমন যেন না হয় যে, সারা রাতের দীর্ঘ ইবাদতের ক্লান্তিতে ফজরের নামায জামাআতের সাথে পড়া সম্ভব হল না।

পরদিন রোযা রাখা

সুনানে ইবনে মাজায় বর্ণিত হয়েছে ঃ
عن على بن ابى طالب رضى الله عنه قال : قال رسول الله (() : إذا كانت ليلة النصف من شعبان فقوموا ليلها وصوموا نهارها, فإن الله ينزل فيهالغروب الشمس الى سماء الدنيا, فيقول : ألا من مستغفر فاغفر له على مستزرق فأرزقه, ألا مبتلى فأعافيه , ألا كذا, ألا كذا, حتى يطلع الفجر

হযরত আলী ইবনে আবু তালেব (() থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (() বলেছেন, জ্ঞপনের শাবানের রাত (চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোযা রাখ। কেননা, এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, কোন ক্ষমাপ্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি কোন রিযিক প্রার্থী? আমি তাকে রিযিক দেব। এভাবে সুব্হে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তাঞ্চআলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।ঞ্চ [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৩৮৪]

এই বর্ণনাটির সনদ যয়ীফ। কিন্তু মহাদ্দিসীন কেরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, ফাযায়েলের ক্ষেত্রে যয়ীফ হাদীস গ্রহণযোগ্য। তাছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোযা রাখার কথা সহীহ হাদীসে এসেছে এবং আইয়ামে বীয অর্থাৎ প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখার বিষয়টিও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

এলা বাহুল্য, পনের শাবানের দিনটি শাবান মাসেরই একটি দিন এবং তা আয়্যামে বীযের অন্তর্ভূক্ত। এজন্য ফিক্হের একাধিক কিতাবেই এদিনে রোযাকে মুস্তাহাব বা মাসনূন লেখা হয়েছে। আবার অনেকে বিশেষভাবে এ দিনের রোযাকে মুস্তাহাব বা মাসনুন বলতে অস্বীকার করেছেন। এ প্রসঙ্গে হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ত্বাকী উসমানী (দাঃবাঃ) তার ইসলাহী খুতুবাতে বলেন, ‘আরো একটি বিষয় হচ্ছে শবে বরাতের পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শাবানের পনের তারিখে রোযা রাখা। গভীরভাবে বিষয়টি উপলব্ধি করা প্রয়োজন। হাদীসে রাসুলের বিশাল ভান্ডার হতে একটি মাত্র হাদীস এর সমর্থনে পাওয়া যায়। তাতে বলা হয়েছে, জ্ঞশবে বরাতের পরবর্তী দিনটিতে রোযা রাখ।‘ সনদ বর্ণনার সূত্রের দিক থেকে হাদীসটি দুর্বল। তাই এ দিনের রোযাকে এই একটি মাত্র দুর্বল হাদীসের দিকে তাকিয়ে সুন্নাত বা মুস্তাহাব বলে দেওয়া অনেক আলেমের দৃষ্টিতে অনুচিত।’

তবে হ্যাঁ, শাবানের গোটা মাসে রোযা রাখার কথা বহু হাদীসে পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১ শাবান থেকে ২৭ শাবান পর্যন্ত রোযা রাখার যথেষ্ট ফযীলত রয়েছে। কিন্তু ২৮ ও ২৯ তারিখে রোযা রাখতে রাসূলুল্লাহ (() নিজেই বারণ করেছেন। ইরশাদ করেন, জ্ঞরমযানের দুঞ্চএকদিন পূর্বে রোযা রেখো না।ঞ্চ যাতে রমযানের পূর্ণ স্বস্তির সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কিন্তু ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিনের রোযাই অত্যন্ত বরকতপূর্ণ।

একটি লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হচ্ছে যে, শাবানের এই ১৫ তারিখটি তো ‘আইয়ামে বীয’ এর অন্তর্ভূক্ত। আর নবীজী প্রতি মাসের জ্ঞআইয়ামে বীযঞ্চ এ রোযা রাখতেন। সুতরাং যদি কোন ব্যক্তি এই দুটি কারণকে সামনে রেখে শাবানের ১৫ তারিখের দিনে রোযা রাখে যা জ্ঞআইয়ামে বীযঞ্চ এর অন্তর্ভূক্ত, পাশাপাশি শাবানেরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন, তবে ইনশাআল্লাহ নিশ্চয়ই সে প্রতিদান লাভ করবে। তবে শুধু ১৫ মাবানের কারণে এ রোযাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সুন্নাত বলে দেওয়া অনেক আলেমের মতেই সঠিক নয়। আর সে কারণেই অধিকাংশ ফুকাহায়ে কেরাম মুস্তাহাব রোযার তালিকায় মুহাররমের ১০ তারিখ ও আইয়ামে আরাফা (যিলহজ্জের ৯ তারিখ) এর কথা উল্লেখ করেছেন অথচ শাবানের ১৫ তারিখের কথা পৃথকভাবে কেউই উল্লেখ করেননি। বরং তারা বলেছেন, শাবানের যে কোন দিনই রোযা রাখা উত্তম। সুতরাং এ সকল বিষয়ের দিকে দৃষ্টি রেখে যদি কেউ রোযা রাখে তরে ইনশাআল্লাহ সে সওয়াব পাবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, এ মাসের নির্দিষ্ট কোন দিনের পৃথক কোন বৈশিষ্ট নেই।

এ রাতের নফল আমলসমূহ সম্মিলিত নয়, ব্যক্তিগত এ বিষয়টিও মনে রাখতে হবে যে, এ রাতের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকীভাবে করণীয়। ফরয নামাযতো অবশ্যই মসজিদে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার কোন প্রমাণ হাদীস শরীফেও নেই আর সাহাবায়ে কেরামরে যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। [ইক্তিযাউস সিরাতিল মুসতাকীম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ ২১৯]
অবে কোন আহবান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলের ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না।
কোন কোন জায়গায় এই ওেয়াজ আছে যে, এ রাতে মাগরিব বা ইশার পর থেকেই ওয়াজ-নসীহত আরম্ভ হয়। আবার কোথাও ওয়াজের পর মিলাদ-মাহফিলের অনুষ্ঠান হয়। কোথাও তো সারা রাত খতমে-শবীনা হতে থাকে। উপরন্তু এসব কিছুই করা হয় মাইকে এবং বাইরের মাইকও ছেড়ে দেওয়া হয়।
মনে রাখতে হবে, এসব কিছুই ভুল রেওযাজ। শবে বরাতের ফাযায়েল ও মাসায়েল আগেই আলোচনা করা যায়। এ রাতে মাইক ছেড়ে দিয়ে বক্তৃতা-ওয়াজের আয়োজন করা ঠিক না। এতে না ইবাদতে আগ্রহী মানুষের পক্ষে ঘরে বসে একাগ্রতার সাথে ইবাদত করা সম্ভব হয়, আর না মসজিদে। অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আরামেরও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। আল্লাহ আমাদের এসব ভুল কাজকর্ম পরিহার করার তাওফীক দিন।

এ রাতের আপত্তিকর কাজকর্ম খিচুরী বা হালুয়া-রুটির প্রথা, মসজিদ, ঘর-বাড়ি বা দোকান-পাটে আলোক-সজ্জা, পটকা ফুটানো, আতমবাজি, কবরস্থান ও মাজার সমূহে ভিড় করা, মহিলাদের ঘরের বাইরে যাওয়া, বিশেষ করে বেপর্দা হয়ে দোকানপাট, মাযার ইত্রাদি স্থানে ভিড় করা, এসব কিছুই এ রাতের আপত্তিকর কাজ। এসব কাজের কোন কোনটা তো অন্য সময়েও হারাম। আর কিছু কাজ সাধারণ অবস্থায় জায়েজ থাকলেও (যেমন খিচুরী পাক করে গরীব-মিসকীনদের মধ্যে বন্টন করা) এগুলোকে শবে বরাতের কাজ মনে করা বা জরুরী মনে করা এবং এসবের পেছনে পড়ে এ রাতের মূল কাজ তওবা, ইস্তেগ্ফার, নফল ইবাদত ইত্যাদি থেকে বঞ্চিত থাকার কোন বৈধতা থাকতে পারে কি?
এসব কিছুই শয়তানের ধোকা। মানুষকে আসল কাজ থেকে বিরত রাখার জন্যই শয়তান এসব কাজ-কর্মে মানুষকে লাগিয়ে রাখে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে শাবান মাসে সকল গুনাহ ও পাপরাশি থেকে পবিত্র হয়ে যথাযথভাবে রমযান মাসকে বরণ করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
————————
লেখক: পরিচালক, উচ্চতর ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মারকাযুদ দাওয়া আল ইসলামিয়া, মিরপুর, ঢাকা। সম্পাদক: মাসিক আল কাউসার

বিভাগ :

১২৮৭ বার পঠিত | ৬ টি মন্তব্য | জনের পছন্দ

পাঠকের মন্তব্য:


 ১.

শনিবার ১৪ Jun ২০১৪ দুপুর ০২:১৩

মুহাম্মদ মনজুরে মাওলা লিখেছেন :

ধন্যবাদ ভালো লাগলো খুবই সময়োপযোগী লেখা। বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কোন স্থান নেই ইসলামে।




 ২.

শনিবার ১৪ Jun ২০১৪ বিকাল ০৫:১৫

মাই নেম ইজ খান লিখেছেন :

খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মহান আল্লাহ আমাদের বাড়াবাড়ি ও ছাড়া ছাড়ি বাদ দিয়ে প্রত্যেক বিষয়ে যথার্থ ও সঠিক মূল্যায়ন করার তাওফীক দিন। আমীন।




 ৩.

শনিবার ১৪ Jun ২০১৪ রাত ১০:৪০

রিদওয়ান কবির সবুজ লিখেছেন :

শিক্ষনিয় পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ




 ৪.

রবিবার ১৫ Jun ২০১৪ অপরাহ্ন ১২:৪৯

আওণ রাহ'বার লিখেছেন :

ভালো লাগলো অনেক শুকরিয়া মডু মামা।




 ৫.

রবিবার ১৫ Jun ২০১৪ দুপুর ০১:১৪

মুফতী যুবায়ের খান রাহমানী লিখেছেন :

আজ বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে পড়ে মুসলিম উম্মাহ বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে । আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন




 ৬.

রবিবার ১৫ Jun ২০১৪ বিকাল ০৪:০১

মুফাচ্ছির হুসাইন লিখেছেন :

خير الأمور أوسطها বাড়াবাড়ি কোনটাই ভালো নয়। সব ক্ষেত্রেই মধ্যমপন্থা উত্তম।




মন্তব্য লিখতে লগইন করুন

লেখকের অন্যান্য পোস্ট সমূহ

জুন ২০১৫ (১)
মে ২০১৫ (১)
সেপ্টেম্বর ২০১৪ (১)
অগাস্ট ২০১৪ (২)
জুন ২০১৪ (১)
মে ২০১৪ (৩)
এপ্রিল ২০১৪ (১)
মার্চ ২০১৪ (২)
ফেব্রুয়ারী ২০১৪ (১)
জানুয়ারী ২০১৪ (২)
ডিসেম্বর ২০১৩ (৩)

অনুসন্ধান

বিষয়বস্তু ব্লগার আর্কাইভ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


স্বাগতম
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভালো লাগলো
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


মা শা আল্লাহ!
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ভালো লাগলো
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ধন্যবাদ
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


সাম্প্রতিক প্রতি মন্তব্য

ইসলামে অলঙ্কারের বিধান
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ইসলামে অলঙ্কারের বিধান
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


ইসলামে অলঙ্কারের বিধান
- শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী


পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার
- ইসলাম কিংডম


শাওয়াল মাসের ছয় রোজা
- ইসলাম কিংডম


আল্লাহ তাআলার সুন্দর নামসমূহের প্রতি ঈমান
- ইসলাম কিংডম


ঈদের নামায ও ঈদের আমলসমূহ
- ইসলাম কিংডম


লায়লাতুল কদরের ফজিলত এবং এই রাত এর ইবাদত ও দোআ
- ইসলাম কিংডম


সদকায়ে ফিতর বা ফিতরা
- ইসলাম কিংডম


যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তাবলী ও নিসাব
- ইসলাম কিংডম